Skip to content

Latest commit

 

History

History
88 lines (56 loc) · 16.7 KB

File metadata and controls

88 lines (56 loc) · 16.7 KB

**বেসিক রাস্পবেরি-পাই লিনাক্স কমান্ড **


রাস্পবেরি পাই এ আমরা রাস্পবিয়ান ইন্সটল করেছিলাম । রাস্পবিয়ান হল লিনাক্স এর একটা জনপ্রিয় ডিসট debian এর মিনিমাল ভার্শন , এক কথায় ডেবিয়ান এর রাস্পবেরি পাই ভার্সন । রাস্পবেরি এর রাস্প ও debian এর বিয়ান এর সমন্বয়ে এই নাম । এ পর্বে আমরা কিছু একেবারেই বেসিক কমান্ড দেখব । সুতরাং সবাই রাস্পবেরি পাই এর টার্মিনাল ওপেন কর , এবং কমান্ড গুলা লিখে প্র্যাকটিস করা শুরু করে দাও।

FILESYSTEM

LS
ls কমান্ড টি লিস্টিং এর জন্য ব্যাবহার করা হয় । কোন ডিরেক্টরি তে যেয়ে যদি তুমি ls কমান্ড টি লিখ , তাহলে ঐ ডিরেক্টরি তে যা যা আছে তোমাকে সেগুলা দেখাবে । যদি তুমি এটা -l ফ্লাগ এর সাথে লিখ , অর্থাৎ যদি তুমি ls -l কমান্ড টি লিখ তাহলে এটা ডিরেক্টরি তে যা যা আছে সেগুলা সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য (permissions, owner, group, size, date and timestamp of last edit) দিবে । আর যদি কোন ফাইল এর শুরুতে ডট ( . ) থাকে সেগুলা দেখার জন্য তোমাকে -a flag ব্যাবহার করতে হবে ।

![](/assets/saif@saif-PC: ~_005.png)

CD
cd কমান্ডটি ইউজ করা হয় ডিরেক্টরি চেঞ্জ এর জন্য , এর জন্য প্রথমে cd লিখে পরে PATH লিখতে হয় । (i.e. cd directoryA) or (i.e. cd /home/pi/directoryA) .

PWD
pwd কমান্ড টি present working directory দেখার জন্য ব্যাবহার করা হয়।

MKDIR
নতুন ডিরেক্টরি তৈরিতে mkdir কমান্ড টি ব্যাবহার করা হয় । ধর তুমি একটা directory নামে নতুন একটা ডিরেক্টরি বানাতে চাও , তাহলে তোমাকে টার্মিনাল এ mkdir directory কমান্ড টি লিখলেই হয়ে যাবে ।

RMDIR
কোন ডিরেক্টরি রিমুভ করার জন্য rmdir কমান্ডটি ইউজ করা হয় । কিছুক্ষণ আগে তুমি যে directory নামে একটা ডিরেক্টরি তৈরি করছিলে , এখন যদি ঐ ডিরেক্টরিটি রিমুভ করতে চাও তাহলে টার্মিনাল এ যেয়ে rmdir directory কমান্ডটি লিখলেই ডিরেক্টরি টি রিমুভ হয়ে যাবে । ডিরেক্টরি টি রিমুভ হয়েছে কিনা দেখার জন্য তুমি ls কমান্ড টি লিখে দেখে নাও ।

RM
rm কমান্ড টি অনেক টাই rmdir কমান্ড এর মত । কিন্তু rmdir ইউজ করা হয় ডিরেক্টরি রিমুভ করার জন্য , আর rm কমান্ড টি ইউজ করা হয় ফাইল রিমুভ করার জন্য । ধর , তুমি test.txt নামের একটি ফাইল রিমুভ করতে চাও , তাহলে তুমি টার্মিনাল এ ঐ ডিরেক্টরি তে থাকা অবস্থায় rm test.txt কমান্ড টি লিখলেই ফাইলটি রিমুভ হয়ে যাবে । ফাইলটি রিমুভ হয়েছে কিনা দেখার জন্য তুমি ls কমান্ড টি লিখে দেখে নিতে পার ।

CP
cp কমান্ডটি কোন ডিরেক্টরির ফাইল অন্য ডিরেক্টরি তে কপি পেস্ট এর জন্য ব্যাবহার করা হয় । উদাহরণ সরূপ cp ~/fileA /home/otherUser/ কমান্ডটি তোমার home ডিরেক্টরিতে থাকা fileA নামের ফাইল টিকে, তোমার home ডিরেক্টরির otherUser নামের ডিরেক্টরিতে কপি করবে । আবার (cp fileA fileB) কমান্ডটি তোমার একই ডিরেক্টরি তে থাকা fileA এর কন্টেন্ট গুলা fileB তে কপি করবে । সুতরাং cp কমান্ডটি কিছুই না , জাস্ট কপি পেস্ট এর মত আচরণ করে ।

MV
mv কমান্ডটি জাস্ট কোন ফাইল কে মুভ করতে ব্যাবহার করা হয় । cp কমান্ডটি যেমন কপি-পেস্ট এর জন্য ব্যাবহার করা হয় ঠিক তেমনি mv কমান্ডটি কাট-পেস্ট এর জন্য ব্যাবহার করা হয় । উদাহরণ সরূপ mv ~/fileA /home/otherUser/ কমান্ডটি তোমার home ডিরেক্টরিতে থাকা fileA নামের ফাইল টিকে কাট করে, তোমার home ডিরেক্টরির otherUser নামের ডিরেক্টরিতে পেস্ট করবে । আবার (cp fileA fileB) কমান্ডটি তোমার একই ডিরেক্টরি তে থাকা fileA এর কন্টেন্ট গুলা কাট করে fileB তে পেস্ট করবে ।

TOUCH
touch কমান্ড টি , জাস্ট ডিরেক্টরি তে থাকা তোমার ফাইল টিকে টাচ করবে , সুতরাং তোমার ফাইল টি time-stamp এর সাথে হালনাগাদ হবে , আর যদি ফাইল টি ডিরেক্টরি তে না থাকে , তাহলে ফাইলটি জাস্ট ক্রিয়েট হবে । যদি ডিরেক্টরি তে test.txt নামের একটা ফাইল ক্রিয়েট করতে চাও তাহলে touch test.txt কমান্ডটি ব্যাবহার করতে পার।

CAT
cat কমান্ডটি কোন ফাইল এর কন্টেন্ট দেখার জন্য ব্যাবহার করা হয়। ধর তুমি test.txt এ ফাইল এ আসলে কি আছে এটা দেখতে চাও , তাহলে তুমি cat test.txt কমান্ডটি দিলে তোমাকে ঐ ফাইল এর কন্টেন্ট গুলা দেখানো হবে। আবার তুমি যদি ঐ ডিরেক্টরি তে থাকা সকল .txt এ ফরম্যাটএর ফাইল গুলাতে কি কন্টেন্ট আছে দেখতে চাও , তাহলে cat *.txt কমান্ডটি লিখলেই তোমাকে সমস্ত .txt ফরম্যাটএর ফাইল গুলার কন্টেন্ট দেখানো হবে।

HEAD
head কমান্ডটি কোন ফাইল এর শুরু দেখতে ব্যাবহার করা হয় । যদি এমন হয় তোমার কোন ফাইল এর সম্পূর্ণ কন্টেন্ট দেখার প্রয়োজন নাই , শুধু শুরুর টুকু দেখলেই হবে , তখন তুমি head test.txt কমান্ডটি লিখলেই হবে। মজার বেপার হল head কমান্ড টি কোন ফ্লাগ ছাড়া ইউজ করলে তোমাকে ঐ ফাইল এর শুরুর ১০ লাইন দেখানো হবে তুমি যদি আরও বেশি বা কম লাইন দেখতে চাও তাহলে -n ফ্ল্যাগটি ইউজ করতে পার। এটি ব্যাবহার করে তুমি কত গুলা লাইন দেখতে চাও সেটা সেট করে দিতে পারবা ।

TAIL
head কমান্ডটি যেমন কোন ফাইল এর শুরুর কন্টেন্ট গুলা দেখতে ব্যাবহার করা হয়, tail কমান্ডটি টি ঠিক তেমনি শেষের কন্টেন্ট গুলা দেখতে ব্যাবহার করা হয়।

CHMOD
chmod কমান্ডটি মূলত কোন ফাইল এর পারমিশন চেঞ্জ করার জন্য ব্যাবহার করা হয়। এখানে কিছু সিম্বল ব্যাবহার করা হয় , যেমন- u (ইউজার এর জন্য , যে ইউজার ফাইল এর সত্ত্বাধিকারী) g (ফাইল গ্রুপ করার জন্য ) এবং r , w, x (যথাক্রমে রিড , রাইট এবং এক্সিকিউসন এর জন্য), আর chmod +x *filename* ইউজ করা হয় ফাইল এর এক্সিকিউসন পারমিশন দেওয়ার জন্য।

SSH
SSH মানে হল SECURE SHELL. এটা দিয়ে সিকিউরলি এনক্রিপ্টেড কানেকশন বিল্ড করা যায় । এ নিয়ে পরে বিস্তারিত লেখা হবে ।

SCP
scp কমান্ডটি SSH এর মাধ্যমে এক কম্পিউটারের কোন ফাইল থেকে অন্য কম্পিউটারে কোন ফাইল কপি করার জন্য ব্যাবহার করা হয় । এ নিয়ে পরে SSH নিয়ে লেখা আর্টিকেল এ বিস্তারিত বলা হবে ।

SUDO
sudo কমান্ড টি ইউজ করা হয় , কোন কমান্ড কে superuser হিসেবে রান করার জন্য । কোন কমান্ড অথবা তার একশন এর জন্য যদি পারমিশন না দেওয়া থাকে তাহলে কমান্ড টি লেখার পূর্বে sudo লিখে কমান্ডটি দিলেই রান হবে , তবে সেক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড দিতে হতে পারে । sudo কমান্ড ব্যাবহার করার আগে এবেপারে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভাল , যে তুমি যে কমান্ডটি রান করবা তার জন্য তোমার সিস্টেম এ কোন সমস্যা হবে না।

UNZIP
unzip কমান্ডটি কোন zip ফাইল কে এক্সট্রাকট করার জন্য ব্যাবহার করা হয় । ধরা যাক তোমার ডিরেক্টরি তে একটা file.zip নামের একটা ফাইল কে তুমি এক্সট্রাকট করতে চাচ্ছ, এজন্য তুমি unzip file.zip কমান্ডটি লিখেই করে ফেলতে পারবা ।

TREE
tree কমান্ড টি ব্যাবহার করে তোমার কোন ডিরেক্টরি , এবং ঐ ডিরেক্টরির নিচে যে সাব ডিরেক্টরি আছে সাথে ডিরেক্টরির ফাইল গুলা tree আকারে দেখাবে।

WGET
ওয়েব থেকে কোন কিছু ডিরেক্টলি ডাউনলোড করার জন্য wget কমান্ডটি ব্যাবহার করা হয় ।

MAN
man কমান্ডটি কোন কিছু অথবা কোন কমান্ডএর manual পেজ দেখার জন্য ব্যাবহার করা হয় । ধরা যাক তুমি sudo কমান্ডটি কিভাবে কাজ করে, এর ফ্লাগ ও সিম্বল গুলা কি কি এবং কি কি কাজে ব্যবহার করা হয় , সেজন্য তুমি man sudo কমান্ডটি ইউজ করতে পার।

NETWORKING

এখন আমরা দেখব নেটওয়ার্কিং এ ব্যাবহার করা হয় , এমন বেসিক কিছু কমান্ড ।

PING
ping কমান্ডটি ব্যাবহার করা হয় কোন হোস্টের সাথে কমিউনিকেশন তৈরি হয়েছে কিনা জানার জন্য । ধর তুমি অন্য কোন একটা কম্পিউটার অথবা কোন নেটওয়ার্ক এ কানেক্ট করছ, এখন কমিনিকেশন হচ্ছে কিনা অথবা কমিনিকেশন স্ট্যাটাসটা আসলে কেমন এটার জন্য ping hostname/hostip লিখলেই তুমি দেখতে পাবা।

NMAP
nmap কমান্ড এর মাধ্যমে আসলে নেটওয়ার্ক মনিটর ও স্ক্যান করা যায় । এটা হোস্টের পোর্ট , হোস্টের অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য ও হোস্টের রেঞ্জ রিটার্ন করে । শুধু nmap কমান্ড এর মাধ্যমে এটা ব্যাবহারের অপশনের সাথে সাথে উদাহরণ গুলাও দেখা যায় ।

HOSTNAME
hostname কমান্ডের মাধ্যমে সিস্টেমের হোস্টেনেম বর্তমানে কি আছে সেটা দেখা যায় । যদি হোস্টেনেম চেঞ্জ করতে চাও তাহলে hostname new-host কমান্ডটি লিখতে হবে । আর , অবশ্যই হোস্টেনেম চেঞ্জ করার জন্য সুপারইউজার হিসেবে কমান্ড রান করতে হবে , সেক্ষেত্রে কমান্ড টি লেখার পূর্বে sudo ইউজ করতে হবে। মানে তোমাকে লিখতে হবে sudo hostname new-host

IFCONFIG
ifconfig কমান্ডের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন এর বিস্তারিত তথ্য ও কারেন্ট সিস্টেমটা বর্তমানে কোন ইন্টারফেস এ আছে সেটা দেখা যাবে । eth0 অংশে ইথারনেট ইন্টারফেস এডাপ্টার সম্পর্কে তথ্য , lo অংশে লুপবেক ইন্টারফেস সম্পর্কে তথ্য এবং wlan0 অংশে ওয়ারলেস lan সম্পর্কে তথ্য দেখা যাবে ।

প্রাথমিক ভাবে এই বেসিক কমান্ড গুলা জানলেই হবে:)